ভারত ও ভিয়েতনামে নিম্নমুখী চালের দাম

বিশ্বে শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভারত। দেশটির স্থানীয় বাজারে চালের সরবরাহ বেড়েছে।

বিশ্বে শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভারত। দেশটির স্থানীয় বাজারে চালের সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে চলতি সপ্তাহে নিম্নমুখী হয়েছে পণ্যটির দাম। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

শীর্ষ রফতানিকারক দেশটিতে চলতি সপ্তাহে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সেদ্ধ চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৪৪০-৪৪৬ ডলার, গত সপ্তাহে যা ছিল ৪৪৪-৪৫০ ডলার। চলতি সপ্তাহে ভারতে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত প্রতি টন সাদা চাল ৪৪৭-৪৫৫ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ডলারের বিপরীতে রেকর্ড সর্বনিম্নে নেমেছে। এতে চাল বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের লাভের পরিমাণও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

একটি গ্লোবাল ট্রেড হাউজের নয়াদিল্লিভিত্তিক এক ডিলার বলেন, ‘রুপির বিনিময় হার দ্রুত কমছে। আমরা মুদ্রার মানের পরিবর্তন অনুযায়ী দাম সমন্বয় করছি। তবে চাহিদা বর্তমানে স্থিতিশীল।’

এশিয়ায় চালের আরেক শীর্ষ সরবরাহকারী দেশ ভিয়েতনাম। দেশটি থেকে ফিলিপাইন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চাল আমদানি করে। সম্প্রতি দেশটিতে ভিয়েতনামের চালের চাহিদা কমেছে। এ আশঙ্কায় এ দেশেও নিম্নমুখী হয়েছে পণ্যটির দাম।

ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম চলতি সপ্তাহে ছিল টনপ্রতি ৪৯৫-৫০৮ ডলার, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০৯ ডলার।

ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশন ও ব্যবসায়ীদের মতে, ফিলিপাইনের কৃষি বিভাগ ভারত ও পাকিস্তান থেকে চাল আমদানি করতে পারে এমন আভাস দিয়েছে। চাহিদা কমার আশঙ্কায় দাম আরো কমেছে।

মেকং ডেলটা অঞ্চলের একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘চলতি সপ্তাহে বাণিজ্যিক কার্যক্রম মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল।’

এদিকে চলতি সপ্তাহে থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত প্রতি টন চাল ৫১২ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫১০-৫১৫ ডলার।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, মুদ্রার বিনিময় হার কমায় দামের ওঠানামা হচ্ছে। তবে চাহিদা ছিল স্থিতিশীল। উৎসবের মৌসুম আসায় খুব বেশি বাণিজ্য হয়নি।

এদিকে দেশে বেশ কয়েকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী চালের দাম। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে প্রতি টন ৫১৫ ডলারে মিয়ানমার থেকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে এক লাখ টন সাদা চাল আমদানি করছে বাংলাদেশ।

আরও